মাওলানা মনির ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা: তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশিত: 6:07 PM, October 3, 2026


মাওলানা মনির ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা: তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

{“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“square_fit”:1,”transform”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}

স্টাফ রিপোর্টার,
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মাওলানা মনির শেখ ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে তাঁদের নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পারিবারিক বিরোধ, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, মাওলানা মনির শেখ ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল।

​এলাকাবাসীর একটি অংশের প্রতিনিধি হিসেবে বাদশা গোড়াপি ও কাঞ্চন গোড়াপি জানান, মাওলানা মনির শেখের বড় মেয়ে তামান্না পরিবারের অমতে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন এবং প্রায় ১১ মাস সংসার করার পর ওই সংসার গোপন রেখে অন্য একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ওই যুবকের সঙ্গে আপত্তিকর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে তামান্নার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মাওলানা মনির শেখ তাতে বাধা দেন এবং তিনি ও তাঁর পরিবার এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে বাধ্য নন বলে জানান।

​এ ছাড়া মনির শেখের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও স্থানীয়দের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে, ২০০২ সালে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার বিষয়টিও বর্তমানে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আমীর শেখ গোড়াপি বংশের এক নারীকে বিলের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান এবং ওই মামলার অন্যতম আসামি মাওলানা মনির শেখ নিজেও ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি গ্রামবাসী ও সচেতন মহলের একটি অংশ মনে করছেন, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেমন জরুরি, তেমনি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে সামাজিক হেনস্তার শিকার না হন, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন।

​ভবানীপুরের সাধারণ বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে এলাকার সামাজিক শান্তি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং গ্রামের সুনাম রক্ষায় সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।