Online Bangla News
গাইবান্ধা

গাইবান্ধায় বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, ডাক্তার সংকট

গাইবান্ধায় দিন দিন ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সদর হাসপাতালে মিলছে না চিকিৎসা। ডাক্তারের অভাবে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী ও স্বজনরা।

সাত মাস বয়সী শিশুকে নিয়ে বারান্দায় বসে চোখের পানি ফেলে ডাক্তারের অপেক্ষায় মা। কিন্তু হাসপাতালে নেই কোনো ডাক্তার। সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে গাইবান্ধার সদর হাসপাতালের করিডোরে অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে কাতরাতে থাকেন দরিয়াপুরের সুমি আক্তার। এরপরও মেলেনি ডাক্তারের দেখা।

শুধু তিনি নন, এমন অনেক অভিভাবকই ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই চলছে চিকিৎসা। ডায়রিয়ার প্রকোপে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। শয্যা সংকট থাকায় মেঝে ও বারান্দায় নিতে হচ্ছে চিকিৎসা। এর ওপর রয়েছে পর্যাপ্ত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ। রোগীর স্বজনরা বলেন, সিট পাইনি। বসে আছি। কিন্তু ডাক্তারের দেখা নেই।

গাইবান্ধার সদর হাসপাতালে ৬০ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছেন মাত্র ১৮ জন। তারাও ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করায় চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা। তারা বলেন, রোগীরা গাদাগাদি হয়ে আছে। এক বেডে দুজন। সকাল থেকে ডাক্তার থাকে না। ডাক্তারের দেখা পাওয়া বিরল।

জনবলের অভাবে কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি রয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুব হোসেন বলেন, স্বল্পপরিসরে এবং স্বল্পসংখ্যক স্টাফ নিয়ে আমরা বিরাট জনবলের সেবা দিচ্ছি। তাতে সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে। গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে এক সপ্তাহে দুই শতাধিক ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।